রিজেন্ট হাসপাতালের ভুল চিকিৎসার বলি জান্নাতুলের পরিবার আজও বিচার পায়নি

রিজেন্ট হাসপাতালের ভুয়া ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার বলি হন নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস। দুই বছর আগে এ ঘটনায় কিশোরীর বাবার করা মামলায় রিজেন্টের এমডিসহ চার জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু হাসপাতালের মালিক হিসেবে সেই মামলায় নাম আসেনি সাহেদ করিমের। দোষীদের সবর্চ্চো সাজার দাবি জান্নাতের পরিবারের।

তিন ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় জান্নাতুল বাবাকে ভরসা দিতো দুঃখ ঘোঁচানোর। স্বপ্ন ছিলো স্থপতি হওয়ার। কিন্তু স্বপ্নবাজ কিশোরীটিকে অকালে প্রাণ হারাতে হয় রিজেন্ট হাসপাতালের ভুয়া চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায়।
ভুক্তভোগীর শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, তারা হাসপাতালে ভুয়া চিকিৎসক নিয়োগে দিয়েছে। তাদের ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে আমার মেয়ে।

হাতের ছোট্ট একটি অপারেশনের জন্য ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয় জান্নাতকে। কিন্তু সনদবিহীন ডাক্তার ফারুক হোসেনের ভুল চিকিৎসায় মারা যায় সে। মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে, আইসিইউ’র কথা বলে জান্নাতের লাশ নিয়ে হতভাগ্য বাবাকে ঘোরানো হয় রাজধানীর ৩টি হাসপাতালে। বিচারের আশায় পল্লবী থানায় ভুয়া চিকিৎসক, এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন বাবা জয়নাল শেখ। কিন্তু তাকে দেয়া হয় হুমকি।
তদন্তে ভুল চিকিৎসায় জান্নাতের মৃত্যুর প্রমাণ পায় পুলিশ।

গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মশিউল রহমান বলেন, শিক্ষার্থী জান্নাতকে ছোট অপারেশনের জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরবর্তীতে কিছু ভুয়া চিকিৎসকের চিকিৎসায় জান্নাত মারা যায়।
ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন পর্যায়ে আছে মামলাটি। বিচারপ্রক্রিয়া শেষে শিগগরই দোষীদের বিচার চায় ভুক্তভোগী পরিবার।